Posts

Image
বাণিজ্যিক ভাবনা থেকেই শিক্ষার্থীদের কাঁধে অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের বোঝা তুলে দিচ্ছে স্কুলগুলো  শিশু শিক্ষার্থীদের ভারী ব্যাগ বহন সুস্বাস্থ্যের অন্তরায়। এ কারণে শিশুর শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ওজনের ব্যাগ বহনের ওপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অথচ বাণিজ্যিক ভাবনা থেকেই শিক্ষার্থীদের কাঁধে অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের বোঝা তুলে দিচ্ছে স্কুলগুলো। কোন শ্রেণিতে কোন বই পড়তে হবে তার নির্দিষ্ট তালিকা দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এর বাইরে কোন বই পাঠ্য না করার জন্য আইনও রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন, নির্দিষ্ট বইয়ের চেয়ে কমপক্ষে ৩ থেকে ১৫টি পর্যন্ত বেশি বই পাঠ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। অথচ এসব স্কুল তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর নীরব ভূমিকা পালন করছে। কিন্ডারগার্টেনের শিশুরা সরকারের বিনামূল্যের বই পায়। কিন্তু নির্ধারিত বইয়ের বাইরে সেখানে ১০ থেকে ১৫টি বই বেশি পড়তে হয়। অথচ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিনামূল্যের বই দিয়েই দায়িত্ব শেষ করে। বাস্তবে কী ঘটছে তা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয় না। রাজধানীর একাধিক  স্কুলে গিয়ে দেখা ...
Image
৯০তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডে সেরা ছবি ‘দ্য শেপ অব ওয়াটার’ ৮৯তম অস্কারে সেরা ছবির নাম ঘোষণা করেছিলেন ওয়ারেন বিটি ও ফে ডানঅ্যাওয়ে। তখন তাঁদের হাতে যে খামটি দেওয়া হয়েছিল, তাতে সেরা ছবি হিসেবে ‘লা লা ল্যান্ড’ ছবির নাম দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে ভুল সংশোধন করা হয়। সেরা ছবির অস্কার পায় ‘মুনলাইট’। এবারও সেরা ছবির নাম ঘোষণা করার জন্য ওয়ারেন বিটি ও ফে ডানঅ্যাওয়েকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়। এবার মঞ্চে এসে তাঁরা মিলনায়তনে বসা অতিথিদের সঙ্গে মজা করেন। ওয়ারেন বিটি বলেন, ‘কেমন আছেন সবাই? আবারও আপনাদের সঙ্গে দেখা হলো।’   এরপর ওয়ারেন বিটি ও ফে ডানঅ্যাওয়ে ৯০তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডে সেরা ছবির নাম ঘোষণা করেন। এবার সেরা ছবির অস্কার পেয়েছে ‘দ্য শেপ অব ওয়াটার’। পুরস্কার নেওয়ার জন্য পরিচালক গিয়েরমো দেল তোরো তাঁর ছবির শিল্পীদের নিয়ে মঞ্চে আসেন। তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ওয়ারেন বিটি ও ফে ডানঅ্যাওয়ে। এবার অস্কারে ১৩টি বিভাগে মনোনয়ন পায় ‘দ্য শেপ অব ওয়াটার’। কিন্তু পুরস্কার জিতেছে সেরা ছবি, সেরা পরিচালক, অরিজিন্যাল স্কোর ও প্রোডাকশন ডিজাইন বিভাগে । অস্কারে মনোনয়ন পাওয়ার পর ‘দ্য শেপ অব ওয়াটার’ ...
Image
সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় গত ছয় মাসে ২৪ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত এবং ৬১ জন আহত হয়েছে এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা চলার সময়ে মারা গেছে নয়জন পরীক্ষার্থী। আজ সোমবার বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এবারের এসএসসির লিখিত পরীক্ষা শুরু হয় ১ ফেব্রুয়ারি। এরপর থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে নয়জন পরীক্ষার্থী। ৩ ফেব্রুয়ারি খুলনার বটিয়াঘাটা বাইপাস সড়কে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত হয় বটিয়াঘাটা হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী সৌরভ। ৫ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর পুঠিয়ায় পরীক্ষার কেন্দ্রে যাওয়ার পথে গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে পুঠিয়া পিএন উচ্চবিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ও হাবিল উদ্দিন মারা যায়। একই ঘটনায় মোস্তাফিজুর রহমানের বাবা আবদুল মোমিনও নিহত হন। ২ মার্চ খুলনা ডুমুরিয়ায় মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসান নিহত হয়। দুর্ঘটনায় পরীক্ষার্থী মারা যাওয়া বন্ধে সমিতি কিছু সুপারিশ তুলে ধরেছে। যার মধ্যে প্রতিটি স্কুল–কলেজের ছাত্রছ...
Image
সিরাজগঞ্জের ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ  সোমবার সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম এ দণ্ডাদেশ দেন। যাবজ্জীবন ছাড়াও প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আদালতে ছয় আসামি উপস্থিত ছিলেন। হত্যার শিকার খুশি খাতুন শাহজাদপুরের কায়েমপুর গ্রামের সাহেব আলীর মেয়ে। দণ্ডিত আসামিরা সবাই পাশাপাশি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁরা হলেন মশিপুর গ্রামের আবদুল হাকিম (৪৬), হাচেন আলী (৩৮), লোকমান হোসেন (৫৩), হাসান আলী (৩৩), কায়েমপুর গ্রামের মো. রানা (৩৩), নবির হোসেন (৩৬) ও বাতিয়ার পাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৩৩)। এঁদের মধ্যে রফিকুল পলাতক। সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) আনোয়ার পারভেজ সাত আসামির শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নিহত খুশি খাতুন ২০১০ সালের ১৬ জুলাই বিকেলে আবদুল হাকিমের (যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত) বাড়িতে তাঁর মেয়ে আঁখি খাতুনের (৯) সঙ্গে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন বিকেলে কায়েমপুর গ্রামের একটি পাটখেতে তার মরদেহ ...
Image
রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে ভিয়েতনামের সহযোগিতা কামনা করেছে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে তাঁর এবং ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ত্রান দাই কুয়াংয়ের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত দু’দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এই সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। ‘আমরা এই অঞ্চলের দেশগুলোর শান্তি ও স্থিতিকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়া রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছি এবং রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে আমি ভিয়েতনামের সহযোগিতা  প্রত্যাশা করেছি,’ বৈঠকের পর অনুষ্ঠিত যৌথ সংবাদ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ত্রান দাই কুয়াং সমস্যার একটি সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের প্রতি তাঁর সহযোগিতার বিষয়ে সমর্থন প্রকাশ করেছেন, বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে বলেন, তাঁরা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সকল বিষয়ে বৈঠকে সৌহাদ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা করেছেন এবং পারস্পারিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দু’দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ককে আরো পাকাপোক্ত করার পাশাপাশি তাদের আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল ব্যবসা, বিনিয়োগ এবং কারিগরি সহযোগিতা ব...
Image
বলিউডি সিনেমা পদ্মাবতে কেন দক্ষ শাসক ও সেনানায়ক আলাউদ্দিন খিলজিকে পাশবিক ও নারীলোলুপ করে দেখানো হয়েছে? বলিউডি সিনেমা পদ্মাবত নিয়ে বিতর্কের রণাঙ্গন এখন শান্ত। রাজপুতরা শান্ত, বিজেপিমনারাও শান্ত। রাজপুত ও হিন্দুসম্প্রদায়ের রাজা-রানিদের বীরত্ব ও মর্যাদা খাটো করার আলামত না পেয়ে তারা খুশি। আপত্তিটা যেদিক থেকে ওঠার কথা, সেই ভারতীয় মুসলমানরাও নীরব। কিন্তু নীরব নন মোগল ভারত বিষয়ের নামকরা ইতিহাসবিদেরা। সিনেমাটিতে দিল্লির সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজির চরিত্র, ইতিহাস ও অবদান বিকৃত করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ভারতের অগ্রণী ইতিহাসবিদ রোমিলা থাপার, ইরফান হাবিব, রুচিরা শর্মা প্রমুখ। আলাউদ্দিন খিলজির জীবৎকালের আড়াই শ বছর পর মালিক মুহাম্মদ জয়সী রচনা করেন পদ্মাবত কাব্য। এই কাল্পনিক কাহিনি ধরে পরে আরাকান রাজসভার বাঙালি কবি আলাওল লেখেন পদ্মাবতী। কিন্তু তাঁরা কেউই দাবি করেননি যে ইতিহাস লিখছেন। বিজেপি সমর্থকদের দাবি, পদ্মাবত-এ যে আলাউদ্দিন খিলজিকে দেখানো হয়েছে, তা সত্য ইতিহাস। ইতিহাসবিদ রুচিরা শর্মার দাবি, আলাউদ্দিন খিলজি ভিলেন তো ননই, বরং তাঁর কাছে ভারত ঋণী। তিনি ভারতের ঐক্য আনেন, পাঁচবার মোঙ্গল আক্রমণ ...
Image
খুলনাঞ্চলের ১শ’ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  শনিবার (০৩ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারযোগে বেলা পৌনে ১১টায় খুলনার খালিশপুরে তিতুমীর নৌ-ঘাঁটির ভিভিআইপি হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। এরপর তিনি ৪৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৫২টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে তিনি দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ মাঠের জনসভাস্থলে পৌঁছান। উদ্বোধনকৃত প্রকল্পগুলো- সড়ক ও জনপথ বিভাগের গল্লামারী-বটিয়াঘাটা-দাকোপ-নলিয়ান ফরেস্ট সড়ক ও রূপসা-শ্রীফলতলা-তেরখাদা সড়ক।  শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর : কেডিএ খানজাহান আলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক-কাম-প্রশাসনিক ভবন, লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাডেমিক ভবন, চালনা মোবারক মেমোরিয়াল কলেজের একাডেমিক ভবন, খুলনা আইডিয়াল কলেজের একাডেমিক ভবন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের একাডেমিক ভবন, খুলনা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন।  খুলনা গণপূর্ত বিভাগ:  খুলনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন, মহেশ্বরপাশা সরকারি শিশু পরিবার হোস্টেল ভবন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ভবন ও অ...